How to Become a Content Writer?

Become a Content Writer

আপনি হয়ত শুনে থাকবেন যে একজন ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটার শুধুমাত্র লেখালেখি করেই প্রতি মাসে একটা হ্যান্ডসাম এমাউন্ট অর্থ উপার্জন করে থাকেন। আর এদিক দিয়ে কেবল মাত্র ইংরেজি ভাষার লেখকরাই এগিয়ে নেই বরং বাংলা ভাষায় লেখালেখি করেও অনেকে বেশ ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে থাকেন।

আপনি হয়ত ভাবছেন, তাহলে তো ভালই বাংলা ভাষায় আপনিও লিখতে পারবেন। হ্যাঁ, তা হয়ত পারবেন তবে একজন ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটার হতে হলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয়ে বেশ দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। তাহলে আপনিও শুধুমাত্র লেখালেখি করেই প্রতি মাসে বেশ ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন শুরু করতে পারবেন।

হ্যাঁ! আজকে আমরা এই বিষয় নিয়েই কথা বলব। আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন কীভাবে একজন ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটার হওয়া যায় এবং কীভাবে লেখালেখির মাধ্যমেই অর্থ উপার্জন করা যায়। কেননা, বেলা শেষে সবারই টাকার প্রয়োজন!

তাহলে আসুন জেনে নেই যে প্রক্রিয়াগুলোর মাধ্যমে আপনি একজন ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটার হয়ে উঠতে পারবেনঃ

লেখার দক্ষতা বাড়িয়ে তুলুন

ইতিমধ্যে অনেক মানুষ এই সেক্টরে বেশ সফলতা লাভ করেছে। তবে মানুষের সফলতার গল্প শুনে আপনার কি লাভ? আপনি বরং আপনার নিজের সফলতার গল্প তৈরি করুন। এখানে যে বিষয়টি সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, আপনাকে প্রফেশনাল হতে হবে। যেহেতু আপনি আর্টিকেল লিখতে যাচ্ছেন, শুরু করার আগে আপনার নিজের ভাষার দক্ষতা একটু ঝালিয়ে নিন।

হ্যাঁ! আপনি হয়ত বাংলা পরীক্ষায় বরাবরই ভালো নাম্বার পেয়ে পাশ করেছেন। তবে তার মানে এই না যে আপনি একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে দক্ষ। তার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পড়া। একজন ভালো পাঠকই কেবলমাত্র ভালো মানের লেখক হয়ে উঠতে পারবেন। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে শুধুমাত্র একটি বিষয়ের উপরেই অথবা একটি সোর্স থেকেই পড়লে হবে না বরং বিভিন্ন বিষয়ের উপর বেশ কয়েকটি সোর্স থেকে আপনার পড়তে হবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি বাংলা কন্টেন্ট লিখতে চান তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ঘুরে দেখতে পারেন।

আর যদি ইংরেজি কন্টেন্ট লিখতে চান তাহলে নিম্ন বর্ণীত কয়েকটি ওয়েবসাইট ঘুরে দেখুনঃ

ListverseCuriosity ইত্যাদি।

সবসময় মনে রাখবেন যে, আপনি যত বেশি ভালো ভালো আর্টিকেল পড়তে পারবেন তত বেশি নিজের মান উন্নয়ন করতে পারবেন। এভাবে খুব দ্রুতই আপনি একজন ভালো মানের প্রফেশনাল লেখক হিসেবে নিজেকে তৈরি করে নিতে পারবেন।

একজন কন্টেন্ট রাইটার হতে হইলে যে গুনাবলী থাকা আবশ্যকঃ

সবখানেই দেখবেন সুন্দর এবং সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে যাতে করে পাঠকদের যে কোন লেখা বুঝতে অসুবিধা না হয়। তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনার লেখার মধ্যে একটি প্রফেশনাল টাচের পাশাপাশি কাউকে সহজে বুঝানোর ক্ষমতা থাকতে হবে।

সহজ এবং প্রাণবন্ত লেখার পাশাপাশি আপনার লেখার মধ্যে বৈচিত্রতা নিয়ে আসতে হবে। তবে এর পাশাপাশি লেখার মধ্যে যাতে করে বানান ভুল একদমই কম থাকে সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে।

যে কোন নতুন বিষয় সম্পর্কে পড়ে তার উপর দ্রুত একটি আর্টিকেল তৈরি করতে পারার অভ্যাস করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো একদমই আপনার ধরা ছোঁয়ার বাইরে সেগুলোর দিকে না যাওয়াই ভালো।

যেমন ধরুন আপনি একজন মানবিক শাখার ছাত্র ছিলেন এখন আপনার ডাক্তারি আর্টিকেল রিসার্চ করে না লিখতে যাওয়াই ভালো। তবে অনুবাদ করার ক্ষেত্রে সেটা আপনি করতে পারেন। কেননা যিনি ইংরেজি আর্টিকেলটি লিখেছেন তিনি হয়ত যথেষ্ট রিসার্চ করেই লিখেছেন। আপনাকে শুধুমাত্র সে লেখাটি সুন্দর এবং সহজ ভাষায় অনুবাদ করে দিলেই হয়ে যাচ্ছে।

যেহেতু আপনি লেখালেখি করছেন অনলাইনে তাই ওয়ার্ড-প্রেস সম্পর্কে মোটামুটি আইডিয়া থাকলে সেটা আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট হয়ে উঠবে। এক্ষেত্রে আপনাকে অনেক জটিল কিছু জানতে হবে না, কেবলমাত্র কীভাবে একটি ওয়েবসাইটে লেখা আপলোড দিতে হয় এইসব বিষয়ে সামান্য জানা থাকলেই চলবে।

ভালো মানের অনুবাদ করার কৌশল

সাধারণত কোন কোন ইংরেজি যদি একটু কঠিন বলে মনে হয় তাহলে সেটা গুগুল দিয়ে ট্রান্সলেট করে এরপর নিজের মত করে লিখে ফেলেন। এ ব্যাপারটিও খুব একটা খারাপ নয়, তবে এক্ষেত্রে যেদিকে খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে যে বিষয়বস্তু কি পালটে যাচ্ছে নাকি?

ইংরেজি আর্টিকেল থেকে বাংলা অনুবাদ করার ক্ষেত্রে, প্রথমেই ইংরেজি বাক্যটি খুব ভালোভাবে বুঝে নিবেন। এরপর মনে করবেন আপনার সামনে একজন খুব সাধারণ একজন মানুষ বসে আছে। এখন তাকে যেভাবে বললে বা লিখলে সে লেখাটি পড়ে বুঝতে পারছে সেভাবেই লিখতে হবে এবং এই টেকনিককে সাধারণত ভাবানুবাদ বা রূপান্তর বলা হয়।

আর্টিকেল টাইটেল এবং প্রথম প্যারা

আপনার লেখার টাইটেল এবং প্রথম প্যারাটিই একটি আর্টিকেলের সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ। কেননা একজন পাঠক আর্টিকেলটি পুরো পড়বেন কি না সেটা পুরোটাই নির্ভর করছে প্রথম প্যারা এবং টাইটেলের উপর। একটি ভালো মানের টাইটেল কেমন হতে পারে সেটা জানতে হবে আমাদের এই ওয়েবসাইটের অন্যান্য আরো আর্টিকেলগুলোর টাইটেলের দিকে ভালো করে লক্ষ্য রাখুন।

আর প্রথম প্যারার মধ্যে সবসময় চেষ্টা করবেন “পাঠকের উদ্দেশ্য” সম্পর্কে একটু ধারনা দিয়েই পুরো আর্টিকেলে যা যা থাকছে সে বিষয়ে একটু বর্ণনা দিয়ে দেয়া। যেমন ধরুন আপনি একটি মোবাইল ফোনের রিভিউ লিখছেন এবং এটা কম বাজেটের মধ্যে সবচাইতে ভালো মোবাইল। তাহলে শুরুতেই আপনি সেটা পাঠককে এভাবে বলে দিতে পারেন যে, “আপনার হয়ত অনেকদিন ধরেই একটি ভালো মানের মোবাইল ফোন ব্যবহার করার ইচ্ছে, কিন্তু অতটা বাজেট না থাকার কারণে কিনতে পারছেন না!”

এই বাক্যেই পাঠক বুঝে যাবেন যে এই আর্টিকেলটি তার উদ্দেশ্য লেখা হয়েছে কি না? তার যদি অনেক বাজেট থাকে তাহলে তিনি হয়ত আর্টিকেলটি পড়বেন না তবে সেটা দরকারও নেই। যার বাজেট কম, তেমন কেউ এই আর্টিকেলটি পড়ে মোবাইল কিনছে কি না সেটাই মুখ্য বিষয়।

নিজের লেখা বারবার পড়ুন এবং এডিট করুন

সাধারণত একটি লেখা কতটা মানসম্পন্ন হতে যাচ্ছে সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে লেখাটি কতটা ভালোভাবে এডিট করা হচ্ছে তার উপর। কেননা একজন লেখক যখন লেখাটি লিখে থাকেন তখন তার হয়ত একটি বাক্য নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করার সুযোগ থাকে না। তবে এডিট করার সময় বাক্য গঠন এবং শব্দ চয়ন সঠিক হচ্ছে কি না সেদিকে লক্ষ্য রাখার যথেষ্ট সুযোগ থাকে। তাই নিজের লেখাটিই বারবার পড়ুন এবং এডিট করে সুন্দর করে তুলুন। যাতে করে লেখাটি পাঠকের আকর্ষণ ধরে রাখতে পারে।

কীভাবে লেখা এডিট করবেন ?

>> প্রথমেই লেখা থেকে সে সকল বাক্য আন্ডার-লাইন করে রাখুন যেগুলোর বিন্যাসে সমস্যা আছে এবং আপনার লেখা আর্টিকেলের সাথে মানানসই নয়

>> পরবর্তী ধাপে সেই বাক্যগুলো ঠিক করার চেষ্টা করুন এবং একদমই মানানসই নয় সে বাক্যগুলো ডিলিট করে দিন

>> এরপর আপনি খেয়াল করুন শব্দ এবং বাক্যগুলোর মধ্যে ব্যাকরণগত কোন ভুল রয়েছে কি না। যদি থেকে থাকে তাহলে সেগুলো ঠিক করে দিন

>> পরবর্তী এবং শেষ ধাপে আরো ভালো করে লক্ষ্য করুন যে কোন বাক্যকে কি আরেকটু শ্রুতিমধুর করে লেখা যাচ্ছে কি না। অথবা কোন বাক্য এবং প্যারার মধ্যে কি আড়ষ্টতা রয়েছে কি না। প্রথমেই লেখা থেকে সে সকল বাক্য আন্ডার-লাইন করে রাখুন যেগুলোর বিন্যাসে সমস্যা আছে এবং আপনার লেখা আর্টিকেলের সাথে মানানসই নয়

যদি সম্ভব হয় তাহলে লেখাগুলো আরেকটু শ্রুতি মধুর করে নিন এবং দেখুন আপনার লেখা আর্টিকেলটির মান আগের থেকে কতটা ভালো হয়ে গিয়েছে এবং পড়তে এখন ঠিক কতখানি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।

লেখায় কয়েক ধরনের স্টাইল নিয়ে আসার চেষ্টা করুন

ধরুন আপনি যদি প্রথম আলোর লেখাগুলো পড়তে যান তাহলে দেখবেন লেখাগুলোর মধ্যে একই ধরনের স্টাইল বিদ্যমান। আবার রোর-মিডিয়ার লেখাগুলো পড়ে দেখুন সেগুলো একদমই আলাদা এক স্টাইলে লেখা। ঠিক এমনই কোন সাহিত্য পাতার লেখা দেখলে আপনার মনে হতে পারে লেখা এবং বাক্য বিন্যাস এখানে অন্য সবকিছু থেকে একদমই আলাদা।

আপনি যদি একজন ভালো মানের লেখক বা কন্টেন্ট রাইটার হতে চান তাহলে এই বিভিন্ন ধরনের লেখার স্টাইল রপ্ত করে নিন। বেশি বেশি পড়ুন এবং সেই অনুযায়ী আলাদা আলাদা লেখার স্টাইল প্র্যাকটিস করুন। শুধুমাত্র প্র্যাকটিস করার জন্যও বেশ কিছু ধরনার আর্টিকেল লিখুন।

কমিউনিটির সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করুন

যেহেতু আপনি একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে নিজের পেশাকে বেছে নিতে যাচ্ছেন তাই অন্যান্য আরো লেখকের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করুন। দেখুন তারা কীভাবে লিখছে এবং কোথায় কোথায় লিখছে। আরো নতুন নতুন সুযোগ বৃদ্ধি করার জন্য সবার সাথে যোগাযোগ রাখুন।

ঠিক যেমন আপনার কাছে যদি নতুন কোন সুযোগ আসে সেটা আশেপাশের সবাইকে জানিয়ে দিন এবং অন্য কোথাও যদি সুযোগ থাকে তাহলেও সেই ব্যাপারে অন্যান্য লেখকদের সাথে কথা বলে দেখুন সেখানে নিজের জন্য কোন ক্ষেত্র তৈরি করা যায় কি না।

কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে লেখার মূল্য বৃদ্ধি করার টিপসঃ

হ্যাঁ! এই অংশটুকু খুবই মূল্যবান। কেননা সঠিক উপায় অবলম্বন করতে পারলে আপনার লেখার মূল্য নিজ থেকেই অনেক বৃদ্ধি পেয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আপনাকে দুটি ধাপ অবলম্বন করতে হবেঃ

প্রথমত, একদম শুরুতে নিজের নাম সহ অনলাইনে কোথাও প্রকাশ করা যায় কি না সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। একদম শুরুর দিকে কখনই কত মূল্যে লেখাটি প্রকাশিত হচ্ছে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন না। লক্ষ্য করুন যে ভালো কোন ওয়েবসাইটে লেখাটি প্রকাশিত হচ্ছে কি না।

অর্থাৎ আপনার অনলাইন পোর্টফলিও বৃদ্ধি করুন।

দ্বিতীয়ত, নিজের প্রকাশিত আর্টিকেলটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বেশি বেশি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন যে আপনি একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করছেন।

এভাবে আপনার বেশ কিছু লেখা যদি নাম সহ কোন বড় বড় ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে পারেন তাহলে দেখবেন আপনার লেখার দাম নিজ থেকেই বেড়ে গেছে। পরবর্তীতে আপনি বেশ ভালো দামেই নিজের লেখা বিক্রি করতে পারছেন।

অভিজ্ঞ কন্টেন্ট রাইটার দের সহযোগিতা নিন

আপনার পরিচিত কেউ যদি থাকে যিনি দীর্ঘদিন ধরে কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করে আসছেন তাহলে তার সাথে যোগাযোগ করুন। যে কোন বিষয়ে তার পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং পাশাপাশি অনলাইনেও ভালো ভালো কন্টেন্ট রাইটার খুঁজতে থাকুন ও তাদের সাথে পরামর্শ চেয়ে যোগাযোগ করুন।

নিজের লেখার মূল্য সম্পর্কে সুনিশ্চিত হন

মনে রাখবেন প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার লেখা যতই ভালো হোক না কেন কোথাও যদি আর্টিকেল প্রকাশিত না হয়ে থাকে তাহলে আপনি ভালো মূল্য পাবেন না। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে কখনই উচ্চ মূল্যের আশা করবেন না। ঠিক একই ভাবে যখন আপনি বেশ অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন এবং অনলাইনে আপনার বেশ ভালো একটি পোর্টফলিও দাঁড়িয়ে যাবে তখন কখনই স্বল্প মুল্যের কাজ করে নিজের মার্কেট নষ্ট করবেন না।

ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করার সময় অবশ্যই নিজের প্রকাশিত লেখাগুলোর লিংক সহকারে যোগাযোগ করবেন। এতে করে আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ক্লায়েন্ট একটি ধারনা পেয়ে যাবেন।

সাধারণত যে কেউ যখন নিজের ওয়েবসাইটের জন্য লেখক খুঁজে থাকেন তারা একটু অভিজ্ঞ লেখকই খুঁজে থাকেন যারা লেখার মান ধরে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে নিজের প্রকাশিত ভালো কয়েকটি ওয়েবসাইটের লিংক আপনার ক্লায়েন্টকে দিয়ে দিন, দেখবেন সাথে সাথেই আপনার প্রতি ক্লায়েন্টের মনোভাবের মধ্যেই পরিবর্তন চলে এসেছে। দেখবেন আপনার ক্লায়েন্ট আপনার থেকে ভালো মূল্যেই লেখা নিতে উৎসাহী হয়ে উঠেছেন।

সবসময় নিজের লেখাকে একটি পণ্য হিসেবে ধারনা করে রাখবেন। তাই একটি পণ্য বিক্রয় করার জন্য যেভাবে সবাইকে জানিয়ে দিতে হয় ঠিক সেভাবেই নিজের লেখালেখি সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে।